প্রধানমন্ত্রীর কিষাণ যোজনার ১৭তম কিস্তি এবং ২০০০ টাকার বিশেষ সুবিধা

Whatsapp-Group-Link
krishak bandhu Join Whatsapp channel

ভারতের কৃষকদের আর্থিক উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি (PM-Kisan Yojana) প্রকল্পটি চালু হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি নিবন্ধিত কৃষক প্রতি বছর ৬,০০০ টাকা আর্থিক সাহায্য পান, যা তিনটি কিস্তিতে তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়। প্রতিটি কিস্তিতে ২,০০০ টাকা করে চার মাস অন্তর দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেট

সরকার ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪-এ প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার ১৬তম কিস্তি প্রকাশ করেছে। আশা করা হচ্ছে যে, ১৭তম কিস্তি জুন ২০২৪-এর শেষ সপ্তাহে প্রকাশিত হবে। এছাড়াও, ১৭তম কিস্তির সাথে কৃষকদের জন্য আরও একটি বড় সুবিধা আসছে, যা তাদের আর্থিক স্থিতিশীলতা ও কৃষিকাজে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

কারা পাবেন এই সুবিধা

যেসব কৃষক প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনায় নিবন্ধিত, তারাই এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী। শুধুমাত্র যোগ্য কৃষকদের সরকার বার্ষিক ৬,০০০ টাকা দেবে, যা তিনটি ভিন্ন কিস্তিতে সরাসরি তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।

নতুন সুবিধার ঘোষণা

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে PM-Kisan Yojana প্রকল্পের আওতায় ৯ কোটিরও বেশি কৃষক ইতিমধ্যেই ১৬তম কিস্তি পেয়েছেন। খুব শীঘ্রই ১৭তম কিস্তি মুক্তি পাবে এবং তার পরেই ১৮তম কিস্তি আসতে পারে। মোদী সরকার ৬,০০০ টাকার সাথে আরও ২,০০০ টাকা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।

আরও ২,০০০ টাকা বাড়ানো

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে PM-Kisan Yojana প্রকল্পের আওতায় ৯ কোটিরও বেশি কৃষক ইতিমধ্যেই ১৬তম কিস্তি পেয়েছেন। খুব শীঘ্রই ১৭তম কিস্তি মুক্তি পাবে এবং তার পরেই ১৮তম কিস্তি আসতে পারে। মোদী সরকার ৬,০০০ টাকার সাথে আরও ২,০০০ টাকা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে, যার ফলে বছরে মোট ৮,০০০ টাকা করে দেওয়া হবে।

পিএম কিষানের টাকা পেতে কি করবেন

PM-Kisan Yojana-এর সুবিধা পেতে হলে, কৃষকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ই-কেওয়াইসি (e-KYC) করতে হবে। নিকটস্থ CSC কেন্দ্র, অফিসিয়াল পোর্টাল (pmkisan.gov.in) বা ব্যাংকের মাধ্যমে ই-কেওয়াইসি করা যাবে। কিস্তির সুবিধা পেতে জমির যাচাই-বাছাই করা অত্যন্ত জরুরী, না হলে কিস্তি আটকে যেতে পারে।

সমাপ্তি

প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় নতুন এই সুবিধাগুলি বাংলার কৃষকদের জন্য একটি বড় সুযোগ। তাদের কৃষিকাজের উন্নয়ন ও আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য এই উদ্যোগগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কৃষকদের জীবনযাত্রা ও কৃষিক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে, যা দেশের কৃষি অর্থনীতিরও উন্নয়ন ঘটাবে।

Leave a Comment